দলিল রেজিস্ট্রেশন ও স্ট্যাম্প ডিউটি ক্যালকুলেটর

জমির মূল্য দিয়ে রেজিস্ট্রেশনের যাবতীয় খরচ একদম নিখুঁতভাবে জেনে নিন

📄সরকারি রেট ২০২৫

দলিল রেজিস্ট্রেশন ফি ক্যালকুলেটর

জমির মূল্য দিয়ে রেজিস্ট্রেশনের সঠিক খরচ জানুন

দ্রুত নির্বাচন:

এলাকাভেদে উৎস কর হার ভিন্ন হয়। সঠিক হারটি বেছে নিন।

🏡

জমির মূল্য লিখুন, তৎক্ষণাৎ হিসাব দেখুন

কীভাবে জমির দলিল রেজিস্ট্রেশন খরচ হিসাব করবেন?

জমি কেনার পর শুধু জমির দাম দিলেই হয় না — সরকারি নিয়মে জমি রেজিস্ট্রি করতে বেশ কিছু ফি জমা দিতে হয়। আমাদের এই টুল দিয়ে এক ক্লিকেই জানুন মোট কত টাকা খরচ হবে।

💡 প্রো টিপস:

  • জমি কেনার আগে সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে বর্তমান উৎস কর রেট নিশ্চিত হয়ে নেবেন।
  • মোট বাজেটে রেজিস্ট্রেশন খরচ আলাদা রাখুন — এটা জমির দামের উপর অতিরিক্ত।
  • সিটি কর্পোরেশন এলাকায় উৎস কর সর্বোচ্চ ৪%, ক্যান্টনমেন্টে ৮%।

1%

রেজিস্ট্রেশন ফি

1.5%

স্ট্যাম্প ডিউটি

3%

স্থানীয় সরকার কর

4%

উৎস আয়কর

আপনার জন্য আরও টুলস

জমি সংক্রান্ত সব হিসাব এক জায়গায়।

কীভাবে জমির দলিল রেজিস্ট্রেশন খরচ হিসাব করবেন?

জমি কেনা আমাদের জীবনের অন্যতম বড় একটি সিদ্ধান্ত। কিন্তু শুধু জমির দাম দিলেই তো আর জমি নিজের হয়ে যায় না। সরকারি নিয়মে জমি রেজিস্ট্রি করতে বেশ কিছু ফি জমা দিতে হয়।

আগে এই হিসাবগুলো সাধারণ মানুষের কাছে বেশ জটিল মনে হতো। এখন BDCalculator এর সাহায্যে আপনি নিজেই এক ক্লিকে বের করে ফেলতে পারবেন আপনার ঠিক কত টাকা খরচ হবে।

যেভাবে এই টুলটি কাজ করে

আপনার সুবিধার জন্য আমরা হিসাবটিকে একদম পানির মতো সোজা করে দিয়েছি। শুধু নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন 🚀

  • প্রথমে বক্সে আপনার কেনা জমির মোট মূল্য টাকায় লিখুন।
  • এরপর ড্রপডাউন মেনু থেকে আপনার জমিটি কোন এলাকায় অবস্থিত তার ওপর ভিত্তি করে উৎস করের হার নির্বাচন করুন।
  • আমাদের টুল স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার রেজিস্ট্রেশন ফি এবং অন্যান্য খরচ হিসাব করে মোট টাকার পরিমাণ দেখিয়ে দেবে।

জমি রেজিস্ট্রিতে খরচের খাতসমূহ

বাংলাদেশ সরকারের নিয়ম অনুযায়ী একটি দলিল রেজিস্ট্রেশন করতে প্রধানত চারটি খাতে টাকা জমা দিতে হয়। নিচে খাতগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো 👇

  • রেজিস্ট্রেশন ফি: এটি দলিলের মূল্যের ওপর ১ শতাংশ হারে দিতে হয়।
  • স্ট্যাম্প ডিউটি: দলিলে ব্যবহৃত স্ট্যাম্পের জন্য জমির মূল্যের ওপর ১ দশমিক ৫ শতাংশ হারে এই ফি নির্ধারিত থাকে।
  • স্থানীয় সরকার কর: জমিটি যে এলাকায় অবস্থিত সেই স্থানীয় প্রশাসনকে জমির মূল্যের ওপর ৩ শতাংশ হারে কর দিতে হয়।
  • উৎসে আয়কর: এলাকাভেদে এই করের হার ভিন্ন হয়। গ্রামাঞ্চলে এটি সাধারণত ১ শতাংশ থেকে ২ শতাংশের মধ্যে থাকে। অন্যদিকে সিটি কর্পোরেশন বা অভিজাত এলাকায় এটি ৪ শতাংশ থেকে ৮ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে।

💡 প্রো টিপস: জমি কেনার আগে সবসময় আপনার এলাকার সাব রেজিস্ট্রি অফিস থেকে বর্তমান উৎস করের রেট সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে নেবেন। সঠিক তথ্য জেনে নিলে আপনার বাজেট করতে অনেক সুবিধা হবে।